Header Ads Widget

Responsive Ads Here

Saturday, August 14, 2021

Venus Flytrap / মাংসাশী উদ্ভিদ


 Venus Flytrap / মাংসাশী উদ্ভিদ 

ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ বা মাংসাশী উদ্ভিদ । বৈজ্ঞানিক নামঃ ডিওনিয়া মিউসিপুলা ( Dionaea muscipula )  

Family / পরিবার : Droseraceae (ড্রোসেসি ) 

বিবরন

এই উদ্ভিদ আমেরিকার দক্ষিণ এবং উত্তর ক্যারোলিনার জলাভূমিতে পাওয়া যায় । একটি ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ একবার মাংসাশী উদ্ভিদ এর দৈর্ঘ্য প্রায় 1 ফুট বা 30 সেন্টিমিটার । একটি প্রধান আকর্ষণ হলো এর পাতা , একদিকে যেমন মানুষদের আকৃষ্ট করে অন্যদিকে কীটপতঙ্গ দের । এর পাতাগুলো এর গোড়ার চারপাশে জন্মে এবং দুটি খণ্ডে বিভক্ত পাতাগুলির মাঝে একটি মধ্যশিরা থাকে । পাতাগুলোর ভেতরের দিক লাল এবং বাইরের দিক সবুজ হয় । প্রত্যেক পাতাগুলো প্রত্যেকটি খন্ডের বাইরের দিকে অসংখ্য অসংখ্য থাকে যাকে সিলিয়া বলা হয় এবং ভেতরের দুটি খন্ডের তিনটি করে সঙ্গ থাকে চুলের মত যাকে হেয়ার ট্রিগার বলা হয় । এই হেয়ার ট্রিগারই হল উদ্ভিদটির ফাঁদ । 


শিকার কৌশল : 

শিকার ধরার জন্য পাতা গুলো খোলা অবস্থায় থাকে এবং শিকারের অপেক্ষা করতে থাকে । শিকার করার পর সংকেত দেয় এই হেয়ার ট্রিগার গুলো ই । এক্ষেত্রে শিকারকে একটি হেয়ার টিগার পর পর দু'বার বা দুটি আলাদা আলাদা হেয়ার ট্রিগার ২০ সেকেন্ডের মধ্যে দুবার স্পর্শ করতে হয় । হেয়ার ট্রিগারের কাছ থেকে সংকেত পাবার পরে পাতার খন্ড দুটি বন্ধ হয়ে যায় এবং এক্ষেত্রে বন্ধ পাতাটি দেখতে অনেকটা ফিঙ্গার লক আকৃতির হওয়ার জন্য শিকার ভিতরে আটকে পড়ে এবং বাইরে বেরিয়ে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে ।

* ছবিতে হলুদ বৃত্তে চুলের মত শুঙ্গ যাকে হেয়ার ট্রিগার বলা হয়। 



খাদ্য প্রনালী ও খাদ্য :

এরপর এক ধরনের বিশেষ উৎসেচক বা পাচন রস বেরিয়ে আসে তার শিকারকে গলিয়ে ফেলে এবং খাবার উপযোগী করে তোলে । মাংসাশী উদ্ভিদ খাদ্য হিসেবে ছোট পতঙ্গদের শিকার করে । শিকার তালিকায় পিঁপড়ে 30%  মাকড়সা 30 শতাংশ মৌমাছি 10% ঘাসফড়িং 10% এবং অন্যান্য ছোট পোকামাকড় 20 শতাংশ । 

বিবর্তন এবং বর্তমান অবস্থা :

এই উদ্ভিদ মূলত জলা জায়গা উদ্ভিদ হওয়ার কারণে মাটি থেকে নাইট্রোজেন এবং অন্যান্য মিনারেলস গ্রহণ করতে পারে না বা অতি কম মাত্রায় গ্রহণ করে । এই বিশেষ কারণে এরা বিবর্তনের মাধ্যমে নিজেদের মাংসাশী উদ্ভিদ এ পরিণত করেছে । নিজেদের প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন এবং মিনারেলস জীব দেহ থেকে সংগ্রহ করে থাকে । এই উদ্ভিদের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় 1759 সালে, নর্থ ক্যারোলিনার গভর্নর আর্থার ডবস ব্রিটিশ বোটানিষ্ট পিটার কলিসন কে দেওয়া চিঠিতে উদ্ভিদ এর বিবরণ ব্যাখ্যা করেন ।

প্রাকৃতিক কারণে এই প্রজাতির উদ্ভিদ অস্বাভাবিক ভাবে ক্রমহ্রাসমান হওয়ার ফলে সংরক্ষিত উদ্ভিদ ঘোষিত হয়েছে । বর্তমানে এই উদ্ভিদকে কিভাবে মনুষ্য সমাজের কল্যাণের কাজে লাগানো যায় তারই গবেষণা চলছে। 

আমাদের ইউ টিউব ভিডিও দেখতে এই লিংকে যান









No comments:

Post a Comment

Don't share any link